বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ১২:৪৫ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
সারাদেশে ব্যাপী প্রতিনিধি/সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা ইমেইলে সিভি পাঠান- ‍admin@dailybdnews360.com  । আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ সবাইকে।

টানা ছয় সপ্তাহ পতনে শেয়ারবাজার, নেই ৩৫ হাজার কোটি টাকা

দৈনিকবিডিনিউজ৩৬০ ডেস্ক : পতনের মধ্য দিয়ে আরও একটি সপ্তাহ পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। এর মাধ্যমে টানা ছয় সপ্তাহ পতনের মধ্যে থাকল শেয়ারবাজার। টানা এই দরপতনের মধ্যে পড়ে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বাজার মূলধন হারিয়েছে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। অবশ্য পতনের মধ্যেও গত সপ্তাহে হাজার কোটি টাকার ওপরে বাজার মূলধন বেড়েছে।

বাজার মূলধন হাজার কোটি টাকার ওপরে বাড়লেও গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে কমেছে সবকটি মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। গেল সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক কমেছে ১ শতাংশের ওপরে। আর লেনদেন কমেছে ৩৪ শতাংশের ওপরে।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে চার লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল চার লাখ ৬৫ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৯৭ কোটি টাকা।

আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন কমে চার হাজার ৫২ কোটি টাকা। তার আগের চার সপ্তাহে কমে ৯ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা, চার হাজার ৭০৮ কোটি টাকা, আট হাজার ২৭৭ কোটি টাকা এবং ৯ হাজার ৪২০ কোটি টাকা। এ হিসাবে টানা পাঁচ সপ্তাহের পতনে ডিএসই ৩৬ হাজার ৫১ কোটি টাকা বাজার মূলধন হারানোর পর এক হাজার ২৯৭ কোটি টাকা বেড়েছে।

অর্থাৎ ছয় সপ্তাহের টানা পতনের মধ্যে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৩৪ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা। বাজার মূলধন বাড়া বা কমার অর্থ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম সম্মিলিতভাবে ওই পরিমাণ বেড়েছে বা কমেছে।

এদিকে গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৫৯ দশমিক ৬০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৯ দশমিক শূন্য ৩ পয়েন্ট বা দশমিক ১৬ শতাংশ। তার আগের চার সপ্তাহে কমে ১৬২ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৮৮ শতাংশ, ৭৬ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ, ১১১ দশমিক ৮২ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ৭৩ দশমিক ১৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ২৪ শতাংশ। অর্থাৎ ছয় সপ্তাহের টানা পতনে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক কমেছে ৪৯৩ পয়েন্ট।

প্রধান মূল্য সূচকরে পাশাপাশি টানা ছয় সপ্তাহ পতন হয়েছে ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকের। গত সপ্তাহজুড়ে সূচকটি কমেছে ৩৯ দশমিক ৭৮ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এই সূচকটি কমে ৫ দশমিক ১২ পয়েন্ট বা দশমিক ২৪ শতাংশ। তার আগের চার সপ্তাহে কমে ৬৩ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৯০ শতাংশ, ১৭ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বা দশমিক ৮০ শতাংশ, ১৭ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং ২৮ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ২৭ শতাংশ।

অপরদিকে ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও টানা চার সপ্তাহ পতনের পর গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে এই সূচকটি আবার পতনের মধ্যে পড়ে। গেল সপ্তাহে সূচকটি কমেছে ১৬ দশমিক ৬১ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৬ দশমিক ১৬ পয়েন্ট বা দশমিক ৫০ শতাংশ।

তার আগের চার সপ্তাহে ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত এই সূচকটি কমে ২৪ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, ১৯ দশমিক শূন্য ৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ, ১৪ দশমিক ২৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১০ শতাংশ এবং ২৮ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ১৮ শতাংশ।

সবকটি মূল্য সূচকের বড় পতন হলেও গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন অংশ নেয়া যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে প্রায় তার সমান সংখ্যক। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১২১টি প্রতিষ্ঠান। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৬টির। আর ১১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৮৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৮৮৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ৩০৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা বা ৩৪ দশমিক ২২ শতাংশ।

আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৩৩৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় চার হাজার ৪৩৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন কমেছে দুই হাজার ১০২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বা ৪৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনে ‘এ’ গ্রুপ বা ভালো কোম্পানির অবদান ছিল ৫৭ দশমিক দশমিক ৩৩ শতাংশ। এছাড়া ‘বি’ গ্রুপের ৩০ দশমিক ৮১ শতাংশ, ‘জেড’ গ্রুপের দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং ‘এন’ গ্রুপের ১১ দশমিক ১৮ শতাংশ অবদান ছিল।

গত সপ্তাহে ডিএসইর মূল বাজারে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- বেক্সিমকো, রবি, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, সামিট পাওয়ার, ওয়ালটন, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, লাফার্জাহোলসিম এবং বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

আর্কাইভ

SatSunMonTueWedThuFri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728    
       
891011121314
22232425262728
293031    
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
       
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
31      
   1234
       
     12
       
  12345
2728     
       
  12345
27282930   
       
28293031   
       
891011121314
29      
       
    123
18192021222324
       
      1
2345678
30      
© All rights reserved © 2019 Dailybdnews360.Com
Design & Developed BY-Dailybdnews360.com
error: কপি করা যাবে না !!